আন্তর্জাতিক মাঠের মূল মাপ (International Pitch Dimensions)
আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য মাঠের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে:
-
- দৈর্ঘ্য (টাচলাইন): সর্বনিম্ন ১০০ মিটার (১১০ গজ) থেকে সর্বোচ্চ ১১০ মিটার (১২০ গজ)।
- প্রস্থ (গোললাইন): সর্বনিম্ন ৬৪ মিটার (৭০ গজ) থেকে সর্বোচ্চ ৭৫ মিটার (৮০ গজ)।
💡 আদর্শ মাপ: বিশ্বসেরা স্টেডিয়াম এবং বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে সাধারণত দৈর্ঘ্য ১০৫ মিটার (১১৫ গজ) এবং প্রস্থ ৬৮ মিটার (৭৪ গজ) ব্যবহার করা হয়।
মাঠের ভেতরের বিভিন্ন অংশের নিখুঁত মাপ
আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভেতরের দাগগুলোর মাপও নির্দিষ্ট:
-
- সেন্টার সার্কেল (Center Circle): এর ব্যাসার্ধ বা রেডিয়াস হয় ৯.১৫ মিটার (১০ গজ)।
- পেনাল্টি বক্স (Penalty Area): গোলপোস্টের দুই পাশ থেকে ভেতরের দিকে ১৬.৫ মিটার (১৮ গজ) বাড়িয়ে এই বক্স তৈরি করা হয়। এর দৈর্ঘ্য মোট ৪০.৩২ মিটার (৪৪ গজ) এবং প্রস্থ ১৬.৫ মিটার (১৮ গজ)।
- গোল বক্স (Goal Area / 6-Yard Box): গোলপোস্টের দুই পাশ থেকে ৫.৫ মিটার (৬ গজ) বাড়িয়ে এই বক্স করা হয়। এর দৈর্ঘ্য ১৮.৩২ মিটার (২০ গজ) এবং প্রস্থ ৫.৫ মিটার (৬ গজ)।
- পেনাল্টি স্পট (Penalty Spot): গোললাইন থেকে ঠিক ১১ মিটার (১২ গজ) দূরে পেনাল্টি স্পটটি অবস্থিত থাকে।
- পেনাল্টি আর্ক (Penalty Arc): পেনাল্টি স্পটকে কেন্দ্র করে পেনাল্টি বক্সের বাইরে ৯.১৫ মিটার (১০ গজ) ব্যাসার্ধের একটি চাপ বা অর্ধবৃত্ত আঁকা হয়।
- গোলপোস্টের মাপ (Goal Post Size): দুটি পোস্টের ভেতরের দূরত্ব বা প্রস্থ ৭.৩২ মিটার (৮ গজ) এবং মাঠ থেকে ক্রসবারের উচ্চতা ২.৪৪ মিটার (৮ ফুট)।
কর্নার আর্ক (Corner Arc): মাঠের চার কোণায় ১ মিটার (১ গজ) ব্যাসার্ধের একটি কোয়ার্টার-সার্কেল বা বৃত্তের চার ভাগের এক ভাগ আঁকা থাকে।